সিন্ধু থেকে বঙ্গ (হার্ডকভার) |
||
Author | : | মনযূর আহমাদ |
---|---|---|
Category | : | ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য, নতুন প্রকাশিত বই, |
Publisher | : | চেতনা প্রকাশন |
Price | : | Tk. 1080 |
সারাদেশে হোম ডেলিভারি চার্জ মাত্র ৭০ টাকা # ১৪৯৯+ টাকার বই অর্ডার করলেই পাচ্ছেন ফ্রি হোম ডেলিভারি ! বি:দ্র: গ্রাহক বইটি অর্ডার সম্পূর্ণ করার পরে যদি নতুন সংস্করণের মূল্য পরিবর্তন হয় তাহলে বইটি পাঠানোর আগে আপনাকে আমাদের টিম ফোন করে জানিয়ে দিবে । |
সারাদেশে হোম ডেলিভারি চার্জ মাত্র ৭০ টাকা # ১৪৯৯+ টাকার বই অর্ডার করলেই পাচ্ছেন ফ্রি হোম ডেলিভারি !
বি:দ্র: গ্রাহক বইটি অর্ডার সম্পূর্ণ করার পরে যদি নতুন সংস্করণের মূল্য পরিবর্তন হয় তাহলে বইটি পাঠানোর আগে আপনাকে আমাদের টিম ফোন করে জানিয়ে দিবে ।
সায়েন্স ফিকশনের বইয়ে টাইম মেশিনের গল্প পড়েছেন, মনে আছে? যে মেশিনের সাহায্যে চোখের পলকে অতীত ও ভবিষ্যতের পৃথিবীতে ঘুরে আসা যায়! গল্পের টাইম মেশিন যদিও পরাবাস্তব ও অতিপ্রাকৃত একটি কল্পনা, তবে সত্যিকারের একটি টাইম মেশিন কিন্তু আমাদের হাতের নাগালেই আছে—ইতিহাসগ্রন্থ। এটিও চোখের পলকে আপনাকে নিয়ে যাবে হাজার বছর পেছনে— বিটিভির পর্দার মতো সাদাকালো ঝিরঝিরে এক জগতে।
আপনার মনে কি কখনো প্রশ্ন জেগেছে, ইসলামের উৎসভূমি সুদূর হেজাজ থেকে শত- সহস্র ক্রোশ পূর্বের এই ছোট্ট ব-দ্বীপ— বাঙলার বুকে বসবাস করা জাতিটি কীভাবে আরবের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠীতে পরিণত হলো? এইযে আরব-পারস্য-মহাভারতের শতশত মাইল আগুনঝরা বালুসমদ্র, দুর্গম-দুর্বিনীত গিরিশৃঙ্গের আকাশ খামচেধরা প্রতিরোধ, এইযে আরব-পারস্য-ভারত মহাসাগরের উত্তাল তরঙ্গের দুর্জয় বাঁধা— এত এত বিঘ্নতার পরও, এবং প্রকৃতি, নৃতত্ত্ব, জীবনাচার, সংস্কৃতি ও সভ্যতার এত বিশাল ব্যবধান স্বত্ত্বেও এ দুই ভূমের মাঝে কীভাবে হলো এমন হৃদয় উজাড় করা অন্তরঙ্গতা ও উষ্ণ প্রেমের সম্পর্ক? অবচেতন মনের বদ্ধ আগলে কখনোই কি এই প্রশ্ন কড়া নাড়েনি? মৃদু আওয়াজে? অবশ্যই নেড়েছিল, ঘুমে কাতর হয়তো আপনি টের পাননি।
আমরা জানি, আমাদের এই বঙ্গে ইসলামের প্রবেশদ্বার হলো সিন্ধু। কিন্তু তারও আগ থেকে যে ইসলাম এখানে শেকড় বিস্তার করতে শুরু করেছিল, তা কি আমরা জানি? এই বত্রিশ কোটি দেবতার দেশে কীভাবে এক আল্লাহর জয়ধ্বনি উচ্চকিত হলো? কোন-সে অলৌকিক ক্ষমতা বলে পৌত্তলিকতার সূচিভেদ্য আঁধারে ঈমানের সুর্য হেসে উঠলো? সবই কি রাজরাজড়াদের তরবারির খেলা, নাকি আছে অন্য কোনো রহস্য? কিংবা এই ভূমিতে ইসলাম প্রচারে, এখানকার বৈষয়িক উন্নতির উৎকর্ষ সাধনে কী ছিল বিভিন্ন বংশের মহান সুলতানদের ভূমিকা?
কয়টি বলব? এমন হাজারো অজানা প্রশ্নের উত্তর হাজির করেছে ‘সিন্ধু থেকে বঙ্গ’। বইটির একেকটি পৃষ্ঠা, একেকটি প্যারা, একেকটি লাইন আপনাকেকে নিয়ে যাবে আপনার শেকড়ের কাছে, অতীতের একেকটি অন্ধকার জগতের পর্দা আমার সামনে উন্মোচিত করবে সেলুলয়েডের ফিতায় মতো। ইতিহাসের টাইম মেশিনে করে চোখের পলকে আপনি ফিরে যাবেন হাজার বছর পেছনে— কখনো সুলতান মাহমুদের ঘোড়ার পিঠে চড়ে সোমনাথের উদ্দেশ্যে, কখনো-বা ঘুরির সঙ্গী হয়ে তারাইনের ময়দানে, কখনো খাজা নিজামুদ্দীনের একান্ত মজলিসে, কখনো-বা ধ্যানমগ্ন দরবেশ নুর কুতুবের সবুজ জায়নামাজে।
প্রবীণ সম্পাদক ও ঋদ্ধ কলমবিদ মাওলানা মনযূর আহমাদের কলমে উঠে আসা এই ইতিহাস-চিত্রে ঐতিহাসিক সূত্রবদ্ধতায় পুরো ভারতের কথা উঠে আসলেও প্রধানত এর সবকিছুই আবর্তিত হয়েছে আমাদের এই বাংলাকে ঘিরে। এই অনবদ্য বইটি আমাদের নিয়ে যেতে চায় ঠিক আমাদের শেকড়ের কাছাকাছি, যেই শেকড় থেকে আমরা অনেকাংশেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি।
Title | সিন্ধু থেকে বঙ্গ |
---|---|
Author | মনযূর আহমাদ |
Publisher | চেতনা প্রকাশন |
Pages | 1088 |
Edition | 1st Published, 2021 |
Country | Bangladesh |
Language | Bangla |
২০০০ সালের ডিসেম্বর থেকে রহমতের সম্পাদক ছিলেন প্রবল জীবনদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ মুহতারাম মনযূর আহমাদ। মনযূর আহমাদ একজন প্রাজ্ঞ ও প্রথিতযশা সম্পাদক। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি সম্পাদনার কলম দিয়ে পৃথিবী পর্যবেক্ষণ করেছেন। ১৯৯১ থেকে এক দশক জাগো মুজাহিদ-এর নির্বাহী সম্পাদক, দুই হাজারের ডিসেম্বর থেকে দেড় দশক রহমত-এর সম্পাদক—সব মিলিয়ে ১৯৮৫ থেকে শুরু হয়ে চলমান পঁয়ত্রিশ বছরের কর্মজীবনের পঁচিশটি বছরই কাটিয়েছেন এই ডেস্কে! মনযূর আহমাদের জীবন শুরু হয়েছিল পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী থানায়, নলবুনিয়ার বৌডুবীতে ১৯৬৫ সালে। শৈশব-কৈশোরে পড়াশোনা করেছেন বৌডুবীতে এবং তারপর পার্শ্ববর্তী বাদুরা মাদরাসায়। পরিণত পড়াশোনার জন্য গিয়েছেন গোপালগঞ্জের কাজুলিয়া এবং গওহরডাঙ্গা মাদরাসায়। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় সমাপ্তি দিয়েছেন হাটহাজারী মাদরাসায়, ১৯৮৩-৮৪ শিক্ষাবর্ষে। ১৯৮৫ থেকেই শুরু হয় তার জীবন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। ঢাকায় তার প্রথম আগমন ঢালকানগরের ছাপড়া মসজিদে। ভাগ্য পরীক্ষার প্রথমপর্বে এখানে তার হাত ধরেন অভিন্ন পথের সহযাত্রী মরহুম মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন। এখান থেকে তিনি বাংলাদেশের ইসলামি আধুনিক রেনেসাঁর অগ্রদূত মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের একান্ত সান্নিধ্য অর্জন করেন এবং যুগের কিংবদন্তি অধ্যাপক আখতার ফারূকের কাছ থেকে প্রেরণা পেয়ে কলমচর্চায় মনোনিবেশ করেন। সেই কলম শানিত হয় অধ্যাপক আখতার ফারূকের সুদীর্ঘ সংস্পর্শে। তার লেখালেখির প্রথম কীর্তি বিখ্যাত তাফসিরে ইবনে কাসিরের আংশিক অনুবাদ। এরপর চলতে থাকে কলম, অনবরত, আজ পর্যন্ত। তার ইদানীংকালের কীর্তি হল বিখ্যাত হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিয়াহ-এর অনুবাদ। এর মাঝে তিনি লিখেছেন অনেক—অনুবাদ, ইতিহাস, প্রবন্ধ। সেসবের কিছু প্রকাশিত, কিছু প্রকাশিতব্য। কিছু নামে, কিছু বেনামে। তবে এসব কীর্তির চেয়ে তার বড়ো পরিচয়—তিনি একজন সফল সম্পাদক। অন্তরালোকসম্পন্ন সম্পাদক। শুধু পত্রিকারই নন, প্রতিষ্ঠিত অনেক তরুণ লেখকের জীবনেরও সম্পাদক তিনি। সেক্ষেত্রে একজন পিতৃসত্তাবান সম্পাদক হিসেবেই তিনি তাঁর পরিচয় উজ্জ্বল করেছেন। যার স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠিত সকল লেখক তাদের নৈকষ্য আড্ডায় খুবই স্বাচ্ছন্দ্যে গর্বভরেই দিয়ে থাকেন। মনযূর আহমাদকে সর্ববিচারে বলা যায় চেতনা ও শিল্পমগ্ন তারুণ্যের মুখপাত্র। জীবনের নানা ব্যস্ততার ফাঁকেও তিনি একজন মজলিশি মানুষ। তার মজলিশি স্বভাবে রয়েছে রসালাপ, রয়েছে তিক্ত তুখোড় বাস্তবতায় অনায়াস সমালোচনার শিল্প। জীবনের বেলাভূমিতে তিনি এখন বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার পটভূমিতে দাঁড়িয়ে এক ধরনের অতিন্দ্রিয় সময় কাটাচ্ছেন—যা তার কাছে গেলে, একটু বসলে, খানিক আলাপ করলে বুঝা যায়। আল্লাহ তাকে কবুল করুন। তার সকল কীর্তি ও প্রচেষ্টা কবুল করুন। জীবনকে তার জন্য সহজ করে দিন।
25%
25%
30%
Please login for review